জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change) এখন আর ভবিষ্যতের কোনো সমস্যা নয়—এটি এখনই চলছে এবং আমাদের প্রকৃতি, অর্থনীতি (Economy), ও নিরাপত্তার (Security) উপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। পৃথিবীর তাপমাত্রা (Temperature) দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা ও দাবানল (Extreme Weather) দেখা দিচ্ছে। যদি উষ্ণতা প্রাক শিল্পায়ন (pre industrialization) কালের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তাহলে ক্ষতি হবে অপরিবর্তনীয়।
অনেক দেশে রাজনৈতিক(Political agenda) ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। অথচ জলবায়ু পরিবর্তন এখন মানুষ তার সাথে অন্যান্য প্রাণীদেরো পৃথিবীতে টিকে থাকার সংকট (survival Issue), কারণ এটি খাদ্য (Food) ও পানি সংকট তৈরি করছে, মানুষকে ঘরছাড়া (Climate Refugees) করছে এবং আন্তর্জাতিক সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
অনেকে ভাবেন নবায়নযোগ্য জ্বালানি (Renewable Energy) ব্যয়বহুল, আসলে দীর্ঘমেয়াদে তা সাশ্রয়ী, তার উপর—এতে কর্মসংস্থান (Jobs), স্বাস্থ্যসেবা (Public Health) এবং জ্বালানি স্বাধীনতা (Energy Independence) বাড়ে। তাই এখনই প্রয়োজন বড় আকারে বিনিয়োগ ও পরিকল্পনা।
আমরা কী করতে পারি:
- সরকার (Government): প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) মেনে চলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ, এবং কার্বন নির্গমন (Carbon Emission) কমানোর আইন কড়া করা।
- ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (Businesses): টেকসই (Sustainable) পদ্ধতিতে কাজ করা, বর্জ্য কমানো, ও সবুজ প্রযুক্তিতে (Green Technology) বিনিয়োগ।
- সাধারণ মানুষ (Individuals): বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা, পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহার, ও পরিবেশ নীতির পক্ষে কথা বলা।
জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে আমাদের দেরি করার সুযোগ নেই। আজকের ছোট উদ্যোগগুলো আগামী দিনের বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এখনই সময় একসাথে কাজ করার—না হলে ভবিষ্যৎ হবে বিপদজনক। প্রতিটি কাজ, যত ছোটই হোক, এই লড়াইয়ে মূল্যবান।








